নওশীন নাহরিন মৌ
- খাবার : চকোলেট ও আইসক্রিম
- প্রতিদিন খাওয়া হয় : ফলের জুস
- খেতে অপছন্দ : করলা
- হাতের রান্না : আম্মু
- মায়ের হাতের রান্না : আমড়া, বেগুন ও চিংড়ির তরকারি
- নিজের করা রান্না : নুডলস
- ফল : আনারস
- ফাস্ট ফুড : পাস্তা
- মিষ্টি : পুডিং
- বিশেষ দিনে খেতে পছন্দ : যেকোনো রিচ ফুড
ভবিষ্যত পরিকল্পনা..
-কাজ করবো, সংসার করবো- এই তো.. আমি নিজের মতো করে ক্যারিয়ারটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। নাম্বার ওয়ান হওয়ার ইচ্ছে কখনোই ছিল না আমার। নায়িকা হতে চাইনা, অভিনেত্রী হতে চাই। হয়েছি, হচ্ছি, শিখছি। আরও শিখতে চাই। শিখতে থাকবো। আর, প্রতি মুহুর্তেই সংসারকে লালন করছি।
-কাজ করবো, সংসার করবো- এই তো.. আমি নিজের মতো করে ক্যারিয়ারটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। নাম্বার ওয়ান হওয়ার ইচ্ছে কখনোই ছিল না আমার। নায়িকা হতে চাইনা, অভিনেত্রী হতে চাই। হয়েছি, হচ্ছি, শিখছি। আরও শিখতে চাই। শিখতে থাকবো। আর, প্রতি মুহুর্তেই সংসারকে লালন করছি।
ভাল গুণ..
-আমি মানুষের খুব ভাল বন্ধু হতে পারি। বিশ্বাসের বড় একটা যায়গা হতে পারি। আমার বন্ধু কখনও হারিয়ে যায়না, মিডিয়াতে এমনকি মিডিয়ার বাইরেও।
-আমি মানুষের খুব ভাল বন্ধু হতে পারি। বিশ্বাসের বড় একটা যায়গা হতে পারি। আমার বন্ধু কখনও হারিয়ে যায়না, মিডিয়াতে এমনকি মিডিয়ার বাইরেও।

ছোট্ট
করে বললে তার নাম মৌ। কেউ যদি বলে তোমার আসল নাম কী? চটপট হাসিমাখা উত্তরে
বলেন, নওশীন নাহরীন। মিডিয়ায় সবাই তাকে নওশীন নামেই ডাকে। মিডিয়ার শুরুটা
রেডিও টুডে, রেডিও ফূর্তি থেকে হলেও অভিনয়ের শুরু রাজীব আহমেদের ‘নিয়ত
নিয়তি নিতান্তই’ নাটকের মাধ্যমে। এরপর জনপ্রিয়তার ছোঁয়া আসে আরটিভির ‘জেগে
আছো কি?’-এর মাধ্যমে।
বেশ
মজার নওশীন-হিল্লোলের প্রেম কাহিনী। রীতিমত সিনেম্যাটিক যাকে বলে। বিভিন্ন
পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, হিল্লোল প্রায়ই একমাত্র কন্যা ওয়ারিশাকে শুটিং
স্পটে নিয়ে যেতেন। এদিকে ছোট্ট ওয়ারিশা মা তিন্নির আদর থেকে বঞ্চিতই হয়ে
আসছিল। তাই বুঝি ওয়ারিশা শুটিং স্পটে নওশীনকে দেখামাত্র ছুটে যেত। নওশীনও
আর অবুঝ ওয়ারিশাকে ফেরাতে পারেননি, বাড়িয়ে দিয়েছেন মমতার হাত। এভাবেই
ওয়ারিশার জন্যই নওশীন-হিল্লোলের মন ক্রমশ কাছাকাছি হয়েছে।
একনজরে প্রিয়-অপ্রিয়
স্বামী, প্রেমিক নাকি বন্ধু? হিল্লোলকে কি ভাবতে পছন্দ করেন?
কী হতে চেয়েছিলেন তাহলে?








Post a Comment