Showing posts with label
কোটালীপাড়ায় তরমুজের বাম্পার ফলন: বাজার মন্দা.
Show all posts
Showing posts with label
কোটালীপাড়ায় তরমুজের বাম্পার ফলন: বাজার মন্দা.
Show all posts
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তরমুজের বাম্পার ফলন
হওয়ার
পরও
দাম
পড়ে
যাওয়ায়
এবং
পাইকারি ক্রেতার অভাবে
ন্যায্য মূল্য
পাচ্ছেন না
চাষীরা। এছাড়া
ঝড়-বৃষ্টির কারণে ক্ষেতের তরমুজ
নষ্ট
হওয়ায়
কৃষকদের এবার
লোকসান
দিতে
হচ্ছে
তরমুজ
চাষে।
কোটালীপাড়া উপজেলা
কৃষি
অফিসের
তথ্য
মতে,
এ
বছর
উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নে নলুয়া,
চকপুকুরিয়া, হিজলবাড়ী, কালিগঞ্জ, বুরুয়া
প্রভৃতি গ্রামে
৯শত
১০
হেক্টর
জমিতে
তরমুজের চাষ
করা
হয়েছে।
আর
উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা
হয়েছে
১
লক্ষ
২০
হাজার
মেট্রিকটন।
কোটালীপাড়ায় তরমুজ
চাষের
লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত
হয়েছে,
হয়েছে
বাম্পার ফলন।
এখানকার সুস্বাদু তরমুজের চাহিদা
দেশব্যাপী। এলাকার
চাষীরা
হাজার
হাজার
টন
তরমুজ
বিক্রি
করে
প্রতি
বছর
লাভবান
হন।
কিন্তু
এ
বছর
কালিগঞ্জের তরমুজের বাজারে
মন্দা
অবস্থা। চাহিদা
কম।
প্রতি
বছর
পাবনা,
কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ঢাকা,
নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট,
মুন্সিগঞ্জ প্রভৃতি এলাকা
থেকে
অনেক
পাইকার
এসে
তরমুজ
কিনলেও
এবার
সে
সংখ্যা
ছিল
খুবই
কম।
ফলে
আড়তের
তরমুজ
কেনা-বেচা হচ্ছেনা।
ফড়িয়াদের মাঠ
থেকে
তরমুজ
কেনার
আগ্রহ
নেই।
এ
কারণে
কৃষকরা
তরমুজের ন্যায্য মূল্য
পাচ্ছেন না।
ঝড়-বৃষ্টির কারণে অর্ধেক তরমুজই
মাঠে
পঁচে
গেছে।
চাষীরা
দিশেহারা। তরমুজ
চাষে
তারা
এখন
আগ্রহ
হারিয়ে
ফেলছেন।
কালিগঞ্জ বাজার
তরমুজ
আড়তদার
সমিতির
সভাপতি
শিশির
দত্ত
জাগো
নিউজকে
জানান,
তরমুজের বাজার
খারাপ।
বেপারীরা আসছেন
না।
আমাদের
লোকসান
গুণতে
হচ্ছে।
গত
বছর
থেকে
এবার
ফলন
ভাল
হয়েছে।
কিন্তু
পাইকাররা না
আসায়
বা
বিক্রি-বাট্টা না থাকায়
তরমুজ
চাষীরা
ন্যায্য মূল্য
পাচ্ছেননা। আড়তেও
বিক্রি
হচ্ছে
না
তরমুজ।
এ
বিষযে
কালিগঞ্জের তরমুজ
চাষী
ধ্রুব
লাল
হালদার
জাগো
নিউজকে
জানান,
এ
বছর
তিনি
আড়াই
বিঘা
জমিতে
তরমুজ
চাষ
করেছেন। খরচ
হয়
প্রায়
৩০
হাজার
টাকা।
এক
বিঘা
জমির
তরমুজ
বিক্রি
করে
৩০
হাজার
টাকা
পেয়েছেন তিনি।
এখনও
দেড়
বিঘা
জমিতে
তরমুজ
পড়ে
আছে।
মৌসুম
শেষ।
এসব
তরমুজ
বিক্রি
করতে
পারবেন
কিনা
তিনি
জানেন
না।
আড়তদার
ও
তরমুজ
চাষী
নারায়ন
বিশ্বাস জাগো
নিউজকে
জানান,
এ
বছর
তিনি
৩০
একর
জমিতে
তরমুজ
চাষ
করেছেন। এ
পর্যন্ত ২
একর
জমির
তরমুজও
বিক্রি
হয়নি।
বেপারী
নেই।
ঝড়-বৃষ্টিতে এলাকার অর্ধেক তরমুজ
নষ্ট
হয়ে
গেছে।
ব্যাংক
ও
সমবায়
সমিতি
থেকে
ঋণ
এনে
তরমুজ
চাষ
করে
এবার
বিপাকে
পড়েছি।
কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জ থেকে
আসা
পাইকার
মুজিবর
রহমান
জানান,
প্রতিবছর তিনি
এখানে
তরমুজ
কিনতে
আসেন।
৮-১০ বছর ধরে
আসছেন।
গত
বছর
থেকে
এ
বছর
এখানে
তরমুজের দাম
কম।
বৃষ্টির কারণে
ক্ষেতের তরমুজ
নষ্ট
হয়ে
গেছে।
প্রতিদিন তিনি
৩-৪ গাড়ি করে
তরমুজ
নেন।
এবার
বরিশালের তরমুজের চাহিদা
বেশী।
এখানে
আড়ত
থেকে
তরমুজ
কিনতে
হয়।
শ্রমিক
খরচ
বেশী।
ব্যাংক
শাখা
থাকলেও
থাকার
বোর্ডিং নেই।
বরিশালে তরমুজ
সস্তায়
সরাসরি
ক্ষেত
থেকে
কেনা
যায়।
কোটালীপাড়ায় তরমুজের বাম্পার ফলন: বাজার মন্দা,